সাইবার সিকিউরিটি কি? সাইবার সিকিউরিটি কত প্রকার ও কি কি?

সাইবার সিকিউরিটি কি?

ইন্টারনেটে হ্যাকিং বা ম্যালওয়ার অ্যাটাক থেকে বাঁচতে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় সেগুলোই সাইবার সিকিউরিটির মধ্যে পড়ে।

সাইবার সিকিউরিটি কি? সাইবার সিকিউরিটি কত প্রকার ও কি কি?

কম্পিউটার বা ফোনের সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে বুঝতে হলে প্রথমে আমাদের বুঝতে হবে একজন ব্যবহারকারী কী কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। নিম্নে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার বিবরণ দেওয়া হলো:

ভালনারিবিলিটি (Vulnerability):

এই শব্দটি উচ্চারণ করাটা কিছুটা কঠিন হলেও এর মানে খুব সহজ। যখন কোন সিস্টেম বা ওয়েবসাইটের ডিজাইন, কোড, কমিপউটার, সার্ভারে কোন সমস্যা বা দূর্বলতা থাকে তখন তাকে ভালনারবিলিটি বলে। হ্যাকাররা এই ধরনের কিছু পেলে কম্পিউটার সিস্টেমকে অ্যাটাক করে। তাই আপনি যদি আপনার কম্পিউটার বা ওয়েবসাইটকে এই অ্যাটাক থেকে বাঁচাতে চান তবে আপনাকে এই বিষয়গুলো বুঝতে হবে। অর্থাৎ আপনার সিস্টেমে কি ধরনের সমস্যা আছে তা জানতে হবে। সেই ক্ষেত্রে কম্পিউটারে আপডেটেড এন্টিভাইরাস এপ্লিকেশন ইন্সটল করতে হবে। অনাকাঙ্খিত এপ্লিকেশন থেকে বিরত থাকতে হবে। অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করতে হবে।

সাইবার সিকিউরিটি কি?
চিত্রঃ কম্পিউটার সিস্টেম ভালনারবিলিটিও প্রতীকি চিত্র

ব্যাকডোর (Backdoor):

ঘরের পিছনের দরজা যেমন ব্যাকডোর তেমনি আপনার কম্পিউটার সিস্টেমের কোথাও যদি এরকম গোপন কোন দরজা থাকে তাহলে সেটাই ব্যাকডোর। বিভিন্ন ফ্রী সফটওয়্যারে এরকম ব্যাকডোর অনেক সময় দেখা যায়। তাই ফ্রী সফটওয়ার ব্যবহারে সাবধান হোন কেননা এই ধরনের ব্যাকডোর ব্যবহার করেই হ্যাকার আপনার কম্পিউটারের অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলতে পারে। এই সমস্যারোধে আপডেটেড এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হয়। ফ্রী সফটওয়ার ইন্সটল করার পূর্বে সফটওয়ারটির নির্ভরতা যাচাই করতে হবে।

সাইবার সিকিউরিটি কি?
চিত্রঃ কম্পিউটার সিস্টেমের ব্যাকডোরের প্রতীকিচিত্র

ডিরেক্ট অ্যাক্সেস অ্যাটাক (Direct Access Atack):

আপনার কম্পিউটারে যদি কারো ফিজিক্যাল অ্যাক্সেস থাকে অর্থাৎ কেউ যদি আপনার কম্পিউটারে তার কম্পিউটার থেকে প্রবেশ করতে পারে তাহলে সে অনায়াসেই আপনার কম্পিউটার থেকে ডাটা কপি করে নিতে পারে যা আপনি জানতেও পারবেন না। তাই আপনার কম্পিউটারে যদি খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে তবে সেগুলো এনক্রিপ্ট করে রাখুন এবং ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। সেই সাথে সবাই যেন আপনার পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যাপারে নিশ্চিত করুন।

সাইবার সিকিউরিটি কি?
চিত্রঃ কম্পিউটার সিস্টেম এ ডিরেক্ট এক্সেস এর প্রতীকী চিত্র

ফিশিং (Fishing):

যখন বড়শি দিয়ে মাছ ধরা হয় তখন মাছের জন্য টোপ হিসেবে ছোট মাছ বা খাবার ব্যবহার করা হয়। আর মাছ না বুঝেই সেই টোপ গিলদেই আর বড়শিতে ধরা পরে। এভাবে ইন্টারনেটে প্রতারনা করার জন্য অনেক সময় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

ধরুন কেউ আপনাকে একটি লিঙ্ক দিল। আপনি কিছু চিন্তা না করেই সেই লিঙ্গে ঢুকে দেখলেন ওয়েবসাইটটি পুরো ফেসবুক এর মত। আপনি কিছু না চিন্তা করেই সেখানে আপনার ইমেইল আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে গেলেন এবং আপনি যখনই আপনার ইমেইল আর পাসওয়ার্ড দিবেন সাথে সাথে সেই ইমেইল আর পাসওয়ার্ড যেই হ্যাকার ওয়েবসাইটটি বানিয়েছে তার কাছে চলে যাবে। তাই সে চাইলেই আপনার অ্যাকাউন্ট দখল করে নিতে পারে। এই ধরনের সমস্যারোধে যেকোন লিঙ্কে প্রবেশের পূর্বে দেখে নিতে হবে সেই লিঙ্কটি সঠিক কিনা। অর্থাৎ লিঙ্কটির ঠিকানা উক্ত ওয়েবসাইটের প্রকৃত লিংক কিনা।

সাইবার সিকিউরিটি কি?
চিত্রঃ ফেক ওয়েবসাইটের URL পরীক্ষার মাধ্যমে ফিশিং চিহ্নিতকরণ

স্কাম (Scam) বা ফ্রড (Fraud) ইমেইল:

অনেক সময় ইমেইল ইনবক্সে অনাকাঙ্খিত ব্যক্তির মেইল আসে যেখানে বিভিন্ন ধরনের পুরস্কারের মাধ্যমে প্রলুদ্ধ করা হয়ে থাকে বাক্তিগত তথ্য প্রদানের জন্য। যেমন ধরুন সুইস ব্যাংক থেকে একটি মেইল আসলো যে আপনি কোটি টাকার লটারি জিতেছেন। উক্ত টাকা আপনার ব্যাংকে ট্রান্সফার করার জন্য অপনার ক্রেডিট কার্ডের নাম্বার প্রদান করতে বলা হতে পারে। কিংবা আপনাকে বলা হতে পারে তাদের একটি একাউন্টে টাকা পাঠানোর জন্য। এই ধরনের ইমেইল আপনাকে প্রতারিত করতে পাঠানো হয়।

অনেক সময় হ্যাকাররা আপনার পরিচিত মানুষের একাউন্ট হ্যাক করে আপনাকে ইমেইল পাঠাতে পারে আর্থিক সাহায্য প্রদানের জন্য। এইসব ইমেইলই হলো স্কাম বা ফ্রড মেইল। এইসব মেইল থেকে সাবধান থাকতে হবে এবং মেইলটিকে স্পাম হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

সাইবার সিকিউরিটি কি?
চিত্রঃ একটি স্বাম বা ফ্লড ইমেইলের নমুনা

ম্যালওয্যার:

ম্যালওয্যার (Malware) হল ইংরেজি malicious software (ক্ষতিকর সফটওম্যার) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি হল একজাতীয় সফ্টওয়্যার যা কম্পিউটার এর স্বাভাবিক কাজকে ব্যহত করতে, গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে, কোনো সংরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বা অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার রয়েছে।

যেমন- DarkHotel, Astaroth, RYUK, Stuxnet, Emotet, Fireball, Echobot, Olympic Vision, Zacinlo, WhisperGate, Triada, Kovter, d. link. WannaCry ইত্যাদি।

Read More

কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিট কী? সিস্টেম ইউনিট এর প্রধান দুটি ইউনিট এর নাম কি?

কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিট কি?

কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিট হলো কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসিং ইউনিট যা মূলত কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করে।

কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিট কী? সিস্টেম ইউনিট এর প্রধান দুটি ইউনিট এর নাম কি?

এটি একটি ধাতব বাক্স যা কম্পিউটারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধারণ করে, যেমন:

প্রসেসিং ইউনিট (CPU): CPU কম্পিউটারের প্রধান চিপ যা প্রোগ্রামের নির্দেশাবলী প্রক্রিয়া করে এবং গণনা করে। এটিকে কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” বলা হয়।

মাদারবোর্ড: মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের সার্কিট বোর্ড যা সকল ইলেকট্রনিক উপাদানকে সংযুক্ত করে। এটি CPU, RAM, GPU, স্টোরেজ ডিভাইস, এবং অন্যান্য ইন্টারফেসের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

রান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি (RAM): RAM হলো কম্পিউটারের স্বল্পমেয়াদী মেমরি যা অ্যাপ্লিকেশন এবং ডেটা স্টোর করে যা CPU দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে।

গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU): GPU হলো একটি বিশেষায়িত প্রসেসিং ইউনিট যা গ্রাফিক্স এবং ভিডিও প্রক্রিয়াকরণের জন্য দায়ী।

স্টোরেজ ডিভাইস: স্টোরেজ ডিভাইস হলো হার্ড ডিস্ক, SSD, বা অন্যান্য ডিভাইস যা অপারেটিং সিস্টেম, অ্যাপ্লিকেশন এবং ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।

পাওয়ার সরবরাহ ইউনিট (PSU): PSU হলো কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সরবরাহ ইউনিট যা সকল ইলেকট্রনিক উপাদানকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

অন্যান্য উপাদান: সিস্টেম ইউনিটে কুলার, ডিভাই-ড্রাইভ, ফ্যান, এবং অন্যান্য উপাদানও থাকতে পারে।

সিস্টেম ইউনিট কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কারণ এটি কম্পিউটারের সকল প্রধান কার্য সম্পাদন করে।

আরও পড়ুনঃ কম্পিউটার এর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

Read More

হার্ড ডিস্ক পার্টিশন কি? হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার সহজ পদ্ধতি জানুন

হার্ড ডিস্ক পার্টিশন  কি?

হার্ড ডিস্ক পার্টিশন বলতে হার্ড ডিস্কের মোট স্টোরেজ ক্ষমতাকে একাধিক ভাগে ভাগ করার প্রক্রিয়া বোঝায়। এই ভাগগুলোকে “পার্টিশন” বলা হয়। প্রতিটি পার্টিশনে একটি স্বাধীন স্টোরেজ ইউনিট হিসেবে কাজ করে, যার নিজস্ব ফাইল সিস্টেম এবং নাম থাকে।

হার্ড ডিস্ক পার্টিশন কি? হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার সহজ পদ্ধতি জানুন

হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার পদ্ধতিঃ

হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার দুটি সহজ পদ্ধতি রয়েছে:

1. Windows Disk Management ব্যবহার করে:

  • শুরুতে মেনুতে ক্লিক করুন এবং Disk Management টাইপ করুন।
  • Disk Management অ্যাপ্লিকেশনটি খুলুন।
  • আপনার হার্ডডিস্কের unallocated স্পেসে রাইট-ক্লিক করুন।
  • New Simple Volume নির্বাচন করুন।
  • Next ক্লিক করুন।
  • পার্টিশনের জন্য desired size নির্বাচন করুন।
  • Next ক্লিক করুন।
  • পার্টিশনের জন্য drive letter নির্বাচন করুন।
  • Next ক্লিক করুন।
  • Format পার্টিশন (optional)
  • Finish ক্লিক করুন।

2. Third-party partitioning software ব্যবহার করে:

  • EaseUS Partition Master, AOMEI Partition Assistant, MiniTool Partition Wizard এর মতো অনেক জনপ্রিয় third-party partitioning software আছে।
  • আপনার পছন্দের software ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন।
  • Software খুলুন এবং আপনার হার্ডডিস্কের unallocated স্পেসে রাইট-ক্লিক করুন।
  • Create Partition নির্বাচন করুন।
  • পার্টিশনের জন্য desired size এবং file system নির্বাচন করুন।
  • Apply ক্লিক করুন।

    Read More

স্যাটেলাইট কি? স্যাটেলাইট কিভাবে কাজ করে? স্যাটেলাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

স্যাটেলাইট কি? 

স্যাটেলাইট হলো কৃত্রিম উপগ্রহ যা পৃথিবীর চারপাশে ঘোরে। এগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে কক্ষপথে স্থাপন করা হয় এবং বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।

স্যাটেলাইট কি? স্যাটেলাইট কিভাবে কাজ করে? স্যাটেলাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

স্যাটেলাইট হলো মনুষ্যবিহীন ১ টি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় (১৬০ কিলোমিটার হতে ৩৬০০০ কিলোমিটার) অবস্থান করে পৃথিবীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ান্তে পরিভ্রমণ করে থাকে (পরিভ্রমণকারী স্যাটেলাইট) অথবা পৃথিবী যে গতিতে নিজ অক্ষে আবর্তন করে বা ঘোরে সে গতির সাথে আবদ্ধ থেকে নিজস্ব অবস্থানে স্থির থাকে (স্থির স্যাটেলাইট) এবং সামগ্রিকভাবে এটি পৃথিবীস্থ একটি স্টেশন হতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। পক্ষান্তরে, অকৃত্রিম উপগ্রহ হচ্ছে প্রাকৃতিক বিশালাকার বস্তুপিন্ড যা একটি গ্রহের বা বস্তুর চারিদিকে নির্দিষ্ট দূরত্বে একটি সুনির্দিষ্ট গতিতে পরিভ্রমণ করে থাকে, যেমন পৃথিবীর চাঁদ। “বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১” একটি স্থির কৃত্রিম স্যাটেলাইট।

Read More

ইস্পাত কি? ইস্পাত কত প্রকার ও কি কি? ইস্পাত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

ইস্পাত কি?

ইস্পাত হলো লোহা এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু। ইস্পাতে সাধারণত ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে।

ইস্পাত কি? ইস্পাত কত প্রকার ও কি কি? ইস্পাত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

কার্বনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ইস্পাতের শক্তি এবং কঠোরতা বৃদ্ধি পায়, কিন্তু এর নমনীয়তা এবং টানা বা তন্যতা হ্রাস পায়।

Read More

টারবাইন কি? টারবাইন কত প্রকার ও কি কি? টারবাইন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত আলোচনা

টারবাইন কি?

টারবাইন হল একটি ঘূর্ণায়মান যান্ত্রিক যন্ত্র যা তরল প্রবাহ (যেমন বাতাস, পানি, বা গ্যাস) থেকে শক্তি আহরণ করে এবং এটিকে দরকারী কাজে রূপান্তর করে। 

টারবাইন
টারবাইন 

অন্যভাবে বলা যায় টারবাইন হলো একধরনের ঘূর্ণায়মান মেশিন যা ফ্লুইডের গতিশক্তি থেকে মেকানিক্যাল শক্তি উৎপাদন করে। টারবাইনের ব্যবহার বিদ্যুৎ উৎপাদন, জাহাজ চালনা, বিমান চালনা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ জেনেরেটর কি? জেনারেটরে কি কি সমস্যা হয়? জেনারেটর সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

Read More

সেন্সর কি? সেন্সর কত প্রকার ও কি কি? সেন্সর এর কাজ কি? সেন্সর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

সেন্সর কি?

সেন্সর হল একটি ডিভাইস বা সিস্টেম যা নির্দিষ্ট পরিবেশের পরিবর্তন বা ঘটনাগুলি সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। সেন্সর সাধারণত বাহ্যিক পরিবেশের তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেই তথ্যকে বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। বা এইভাবেও বলা যাই সেন্সর হলো এক ধরণের যন্ত্র যা পরিবেশ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে এবং তা বিদ্যুতের সংকেতে রূপান্তর করে। এই সংকেতগুলো পরবর্তীতে বিশ্লেষণ করা হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সেন্সর কি? সেন্সর কত প্রকার ও কি কি? সেন্সর এর কাজ কি? সেন্সর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা


উদাহরণস্বরূপ, একটি তাপ সেন্সর তাপের উপস্থিতি সনাক্ত করতে পারে এবং একটি আলোর সেন্সর আলোর উপস্থিতি সনাক্ত করতে পারে। এই ধরণের তথ্য ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমগুলি তৈরি করতে পারি, যেমন স্মার্ট হোম, বাস বা গাড়ি অটোমোশন ইত্যাদি।

সেন্সর প্রকৃতি, গণিত, বিজ্ঞান, পরিবেশ, পরিসংখ্যান এবং প্রযুক্তি ইত্যাদি ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যবহৃত হয়।

সেন্সর বিভিন্ন ধরণের হতে পারে এবং বিভিন্ন ধরণের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। কিছু সাধারণ সেন্সর হলোঃ

  • তাপমাত্রা সেন্সরঃ এটি পরিবেশের তাপমাত্রা পরিমাপ করে।
  • আলোক সেন্সরঃ এটি আলোর পরিমাণ পরিমাপ করে।
  • চাপ সেন্সরঃ এটি চাপ বা বল পরিমাপ করে।
  • গতি সেন্সরঃ এটি গতি বা স্থান পরিবর্তন পরিমাপ করে।
  • আর্দ্রতা সেন্সরঃ এটি বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ পরিমাপ করে।
  • রাসায়নিক সেন্সরঃ এটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত করে।

    Read More

ইন্টারনেট কি? ইন্টারনেট কাকে বলে? ইন্টারনেটের জনক কে? ইন্টারনেট কত সালে আবিষ্কার হয়? বিস্তারিত আলোচনা

ইন্টারনেট কি?

ইন্টারনেট হচ্ছে গোটা পৃথিবীব্যাপী মাকড়সার জালের মত বিস্তৃত এক কম্পিউটার যোগাযোগ ব্যবস্থা যার সাহায্যে পৃথিবীর যে কোনো জায়গার দুটো কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের মধ্যে চোখের নিমেষে যোগাযোগ করা সম্ভব। অর্থাৎ ইন্টারনেট বিশ্বব্যাপী এক রকমের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যার সাহায্যে আমরা খুব সহজেই সব রকমের তথ্য বা ইনফরমেশন নিজেদের মধ্যে শেয়ার বা আদান-প্রদান  করতে পারি।

ইন্টারনেট

ইন্টারনেটের মাধ্যমে লভ্য এই তথ্য বা ইনফরমেশন সমূহ চলতি কথায় মাল্টি-মিডিয়া তথ্য (Multimedia Signals) নামে পরিচিত। আরও সহজ ভাষায় বলা যায়- Internet data, যা সাধারণত চার প্রকারঃ-

  1. Text
  2. Image বা picture
  3. Audio
  4. Video

অর্থাৎ ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা যে ইনফরমেশন সমূহ তথা Internet data  নিয়ে নাড়াচাড়া করি সে গুলো কখনও Text message বা Text document হতে পারে, কখনও ছবি (picture বা image ), কখনও শব্দ (audio), আবার কখনও ভিডিও বা মুভি সংকেতও হতে পারে। এই Internet data সমূহ একটা নির্দিষ্ট ফরম্যাট মেনে এক বিশেষ ফাইল (file) বা মোড়কের (packet) এর আকারে server বা মোবাইল ফোনের memory তে জমা হয়।

Read More

Person & Number সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা (Lesson-01)

Person

যে Word দ্বারা কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় তাকে Person বলে।

ইহা ৩ প্রকার। যথাঃ-

table.GeneratedTable {
width: 100%;
background-color: #ffffff;
border-collapse: collapse;
border-width: 1px;
border-color: #0d0d0c;
border-style: solid;
color: #151414;
}

table.GeneratedTable td, table.GeneratedTable th {
border-width: 1px;
border-color: #0d0d0c;
border-style: solid;
padding: 3px;
}

table.GeneratedTable thead {
background-color: #ebef0b;
}

No. Person Name Example
01 First person I, we, our, me, us
02 Second person you, your
03 Third person He, She, They, Him, Her, Their, it, Tiger, Lion, Shamim etc.


01. First Person: যে word দ্বারা ‘আমি’ বোঝায় তাকে First person বলে। যেমনঃ I- আমি, we- আমরা, our-আমাদের, me- আমাকে, us-আমাদেরকে ইত্যাদির সবগুলোর মধ্যে আমি বিদ্যমান, তাই এরা First Person.

02. Second Person: you – তুমি, your – তোমার, এই দুটি word দ্বারা শুধু তুমি বোঝায় তাই এ দুটি Second Person.

03. Third Person: First person & Second person এর উদাহরণ গুলো বাদে বাকীসব কিছু Third Person। যেমনঃ He – সে,  She – সে (স্ত্রীবাচক), They – তারা, It – ইহা, Him – তাকে, His – তার, Them – তাদেরকে। তাছাড়া সকল ব্যক্তি ও বস্তুর নাম। যেমনঃ Shamim, Tiger etc. Third Person এর সংখ্যা সবচেয়ে বেশী। 

H/W: সকল Person এর উদাহরনগুলো মনে রাখতে হবে।

Read More

Alternator : Definition, Types, Working Principle, Parts, Uses, Advantages, Symptoms of Bad Alternator

Definition of Alternator?

An alternator is a device that converts mechanical energy
into electrical energy. It is commonly used in automobiles to recharge the
battery and power the electrical system while the engine is running.
Alternators work by using a rotating magnetic field to induce an electrical
current in a set of stationary coils. As the magnetic field rotates, it causes
the electrons in the coils to move, generating an alternating current (AC).

This AC current is then converted into a direct current (DC) using a rectifier,
which allows it to be used to charge the battery and power the vehicle’s
electrical system. Alternators are more efficient and reliable than the earlier
generators and are now widely used in many different applications where electrical
power is needed.

Alternator: Definition, Types, Working Principle, Parts, Uses, Advantages, Symptoms of Bad Alternator
Alternator

What is the Working Principle of Alternator?

The working principle of an alternator is based on the
electromagnetic induction phenomenon. An alternator consists of a stationary
set of conductive coils, called the stator, and a rotating set of permanent
magnets or electromagnets, called the rotor. When the rotor rotates within the
stator, it creates a changing magnetic field that induces an electrical current
in the stator coils.

The rotor is usually driven by a mechanical energy source
such as an engine, which causes it to rotate. As the rotor rotates, it creates
a magnetic field that alternates in direction with respect to the stator coils.
The stator coils are wound in such a way that they are evenly spaced around the
rotor, and they are also connected in a specific pattern that ensures that the
current induced in them is always in the same direction.

As the magnetic field of the rotor passes over each stator
coil, it induces an electrical current in the coil. The direction of the current
changes as the rotor rotates, producing an alternating current (AC) in the
stator coils. This AC current is then rectified by a set of diodes that convert
it to a direct current (DC), which can be used to charge the battery and power
the electrical system of the vehicle or machine.

In summary, the working principle of an alternator is based
on the interaction between a rotating magnetic field and a stationary set of
conductive coils, which induces an electrical current in the coils. The
resulting AC current is then rectified to produce a DC current that can be used
to power the electrical system.

Read More