অ্যালুমিনিয়াম কে আত্মরক্ষায় সক্ষম ধাতু বলা হয় কেন?

অ্যালুমিনিয়াম কে আত্মরক্ষায় সক্ষম ধাতু বলা হয় কেন? অ্যালুমিনিয়ামকে আত্মরক্ষায় সক্ষম ধাতু বলা হয় কারণ এটি নিজে থেকে একটি প্রতিরক্ষামূলক …

Read More

কলঙ্কহীন ইস্পাত কাকে বলে? কলঙ্কহীন ইস্পাতের ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্যগুলো কি কি?

কলঙ্কহীন ইস্পাত কাকে বলে? কলঙ্কহীন ইস্পাত বা স্টেইনলেস স্টিল হল এমন এক ধরনের ইস্পাত যা অন্যান্য সাধারণ ইস্পাতের তুলনায় জং …

Read More

রড কি? রড কত প্রকার ও কি কি? রড সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

রড কি?

রড একটি লম্বা, পাতলা এবং দৃঢ় বস্তু যা প্রধানত ধাতব দ্রব্য দিয়ে তৈরি করা হয়। নির্মাণ কাজে রড ব্যবহার হয় কংক্রিটের মধ্যে শক্তি এবং স্থায়িত্ব বাড়ানোর জন্য, যা সাধারণত রিইনফোর্সড কংক্রিট নামে পরিচিত। এছাড়াও, রড বিভিন্ন ধরনের যান্ত্রিক এবং শিল্প কাজে ব্যবহৃত হয়।

রড কি? রড কত প্রকার ও কি কি? রড সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষায় রডকে রিইনফোর্সমেন্ট বলা হয়। সোজা ভাষায় অনেকে এটিকে বিল্ডিং এর হাড় বা বোন বা মেরুদণ্ড বলে থাকেন।

Read More

ভঙ্গুরতা কাকে বলে? ভঙ্গুরতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

ভঙ্গুরতা কাকে বলে?

ভঙ্গুরতা বলতে কোনো পদার্থের উপর অল্প পরিমাণ বল প্রয়োগ করলেই সেটি ভেঙে যাওয়ার প্রবণতাকে বোঝায়। অর্থাৎ, এটি একটি পদার্থের একটি গুণাগুণ যার ফলে সেটি আঘাতে সহজেই ভেঙে যায় বা চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে যায়।
ভঙ্গুরতা কাকে বলে? ভঙ্গুরতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
আবার এভাবেও বলা যায়, ভঙ্গুরতা বলতে কোনো বস্তুকে খুব সহজে ভেঙে যাওয়ার প্রবণতাকে বোঝায়। অর্থাৎ খুব কম বল প্রয়োগ করলেই যদি কোনো বস্তু ভেঙে যায়, তাহলে সেই বস্তুকে ভঙ্গুর বলে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

উদাহরণ: কাচ, সিরামিক, চিনির টুকরা ইত্যাদি ভঙ্গুর বস্তুর উদাহরণ।

Read More

ধাতু ও অধাতু চেনার উপায় কী?

ধাতু ও অধাতু চেনার উপায় কী?

ধাতু এবং অধাতু রসায়নের দুই প্রধান শ্রেণীর মৌলিক পদার্থ। আধুনিক যুগে এক্স-রে ডিফ্র্যাকশন, এক্স-রে ফ্লুরেসসেন্স ইত্যাদি পদ্ধতি ব্যবহার করে ধাতুঅধাতু সঠিকভাবে চিহ্নিত করা হয়।

ধাতু ও অধাতু চেনার উপায় কী?

ধাতু ও অধাতু চেনার কিছু সাধারণ উপায় এখানে দেওয়া হলো:

Read More

ভারী ধাতু কাকে বলে? সবচেয়ে ভারী ধাতু কোনটি? ভারী ধাতু কি কি? ভারী ধাতু সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

ভারী ধাতু কাকে বলে?

ভারী ধাতু বলতে সাধারণত উচ্চ ঘনত্ব সম্পন্ন ধাতুগুলোকে বোঝায় অর্থাৎ যাদের ঘনত্ব খুব বেশি। সাধারণভাবে যে ধাতুগুলির ঘনত্ব 5 গ্রাম/সে.মি³ এর বেশি, সেগুলিকে ভারী ধাতু হিসাবে গণ্য করা হয়।

ভারী ধাতু কাকে বলে? সবচেয়ে ভারী ধাতু কোনটি? ভারী ধাতু কি কি? ভারী ধাতু সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

ঘনত্ব হলো একক আয়তনের (যেমন, ঘন সেন্টিমিটার) পদার্থের ভর। ভারী ধাতু হলো এক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ।

Read More

ধাতু ও অধাতু কাকে বলে? ধাতু ও অধাতুর মধ্যে পার্থক্য কি?

ধাতু ও অধাতু কাকে বলে? 

ধাতু এবং অধাতু উভয়ই মৌলিক পদার্থের দুটি প্রধান শ্রেণি।

ধাতু ও অধাতু কাকে বলে? ধাতু ও অধাতুর মধ্যে পার্থক্য

ধাতু এবং অধাতু সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

ধাতুঃ সাধারনত রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যেসব মৌল ইলেকট্রন দান করে তারা ধাতু। ধাতু ইলেকট্রন দান করে ধাতব আয়ন/ধনাত্বক আয়নে পরিনত হয়। যেমন Na ইলেকট্রন দান করে Na⁺ আয়নে পরিনত হয়। Na⁺ মানে হল একটি ইলেকট্রন (e⁻) ঘাটতি আছে অথবা একটি প্রোটন বেশী আছে। আরো উদাহরন- Ca, Mg, K, Ti ইত্যাদি ব্যতিক্রম হল (H)

ধাতু ও অধাতু কাকে বলে? ধাতু ও অধাতুর মধ্যে পার্থক্য

ধাতু হচ্ছে এমন সব মৌল বা যৌগ বা সংকর যারা তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। ধাতু দেখতে উজ্জ্বল রংয়ের এবং আলো প্রতিফলন করে, আঘাত করলে শব্দ হয়। ধাতু সাধারনত কঠিন অবস্থায় থাকে। রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় ধাতু ইলেকট্রন ত্যাগ করে পজিটিভ আয়ন (ক্যাটায়ন) উৎপন্ন করে।

সহজ ভাষায় বলা যাই, যে সকল পরমাণুগুলোর শেষ কক্ষপথে ১,২,৩ টি ইলেকট্রন থাকে, তাদের কে ধাতু বলে।

ধাতু বলতে সেই সকল মৌলিক পদার্থকে বোঝায় যা সাধারণ অবস্থায় কঠিন, দৃঢ়, উজ্জ্বল বা চকচকে, ওজনে ভারী, আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী হয়। যেমন– লোহা, তামা, সোনা ইত্যাদি।

Read More

ইস্পাত কি? ইস্পাত কত প্রকার ও কি কি? ইস্পাত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

ইস্পাত কি?

ইস্পাত হলো লোহা এবং কার্বনের একটি সংকর ধাতু। ইস্পাতে সাধারণত ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে।

ইস্পাত কি? ইস্পাত কত প্রকার ও কি কি? ইস্পাত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

কার্বনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ইস্পাতের শক্তি এবং কঠোরতা বৃদ্ধি পায়, কিন্তু এর নমনীয়তা এবং টানা বা তন্যতা হ্রাস পায়।

Read More

নরমালাইজিং কি? নরমালাইজিং প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

নরমালাইজিং এর সূচনাঃ ধাতুকে ঊর্ধ্ব ক্রিটিক্যাল তাপমাত্রায় উপরে ৫০° থেকে ১০০° সেঃ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করে কিছু সময় চুলির বাহিরে রেখে …

Read More

কিউপোলা চুল্লি কি? কিউপোলা চুল্লি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

কিউপোলা চুল্লির বর্ণনাঃ ব্লাস্ট ফার্নেস থেকে প্রাপ্ত পিগ লোহাকে লৌহ স্ক্রাপের সংঙ্গে মিশিয়ে পুনরায় যে চুল্লিতে গলিয়ে সস্তায় ঢালাই লোহা …

Read More