পিস্টন কি? পিস্টন কত প্রকার ও কি কি? বিস্তারিত জানুন

পিস্টন কি?

পিস্টন হল একটি গুরুত্বপূর্ণ যান্ত্রিক অংশ যা বিভিন্ন ধরনের ইঞ্জিন ও যন্ত্রপাতিতে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি সিলিন্ডারের মধ্যে উপর-নিচ বা সামনে-পিছনে চলাচল করে।

পিস্টন কি? পিস্টন কত প্রকার ও কি কি? বিস্তারিত জানুন

অল্টারনেটর কি? কত প্রকার ও কি কি? অল্টারনেটর কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

অল্টারনেটর কি?

অল্টারনেটর হল এক ধরনের জেনারেটর যা যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।

অল্টারনেটর কি? কত প্রকার ও কি কি? অল্টারনেটর কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

এটি হলো একটি বিদ্যুৎ জেনারেটর যা যানবাহনের ব্যাটারিতে AC (Alternative Current) বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। এটি ইঞ্জিনের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং যানবাহন চলমান থাকাকালীন ব্যাটারি চার্জ করে এবং যানবাহনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে সচল রাখে। অল্টারনেটর গাড়ির ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

অল্টারনেটরের মূল অংশ হল স্টেটর এবং রোটর। স্টেটর হল স্থির অংশ যেখানে ওয়াইন্ডিং বসানো থাকে, এবং রোটর হল ঘূর্ণনশীল অংশ যা চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। যখন রোটর ঘোরে, তখন এর চৌম্বক ক্ষেত্র স্টেটরের ওয়াইন্ডিংকে ছেদ করে, যার ফলে তড়িৎ-চৌম্বকীয় আবেশের নিয়ম অনুযায়ী এসি ভোল্টেজ উৎপন্ন হয়। এটি পরিবর্তনশীল ভোল্টেজ উৎপন্ন করে এবং সাধারণত গাড়ির ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুনঃ ডায়নামো কি? ডায়নামো কিভাবে কাজ করে? ডায়নামো সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

Read More

গাড়ির ব্রেক ফেল করলে করণীয় কি?

গাড়ির ব্রেক ফেল কি?

গাড়ির ব্রেক ফেল বলতে বোঝায় গাড়ির ব্রেকিং সিস্টেমের ত্রুটি যার ফলে গাড়ি থামানো যায় না।
গাড়ির ব্রেক ফেল করলে করণীয় কি?

গাড়ির ব্রেক ফেল করলে করণীয় কি?

১। প্রথমেই মানসিকভাবে শক্ত ও শান্ত থাকুন। হঠাৎ ঘটনায় প্যানিক না হয়ে শান্ত থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া বিপজ্জনক পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে। নিজে এবং সকল যাত্রীকে সিটবেল্ট এনশিউর করুন। সিটবেল্ট পরা থাকলেই কেবল এয়ারব্যাগ ডিপ্লয় হয়। এছাড়া কলিশনের ইম্প্যাক্ট শক থেকে স্পাইনাল কর্ড বেঁচে যায়। হেড এবং চেস্ট ইঞ্জুরির মাত্রা কম হবে। পেছনের গাড়িগুলিকে সতর্ক করার জন্য হুইসেল বা হর্ন বাজান।

২। গতি কমাতে এবং আরও নিয়ন্ত্রণ পেতে গিয়ার নিউট্রালে নিন।

৩। হ্যাজার্ড লাইট (যেটাকে আমরা ভুলবশতঃ ইমার্জেন্সি লাইট বলি) জ্বালাবেন। কারণ হ্যাজার্ড লাইট আশেপাশের ড্রাইভারদের সতর্ক করবে।

৪। উইন্ডো নামিয়ে দিন, কার ডোরের সেন্ট্রাল লক খুলে দিন। উইন্ডো নামালে দুইটা সুবিধা এক বাতাস এর কারনে স্পীড কমবে। উচ্চগতিতে জানালা খুলে গাড়ী চললে রিয়ারশীল্ডে বাতাস লেগে গাড়ীকে হালকা পিছনে টেনে ধরবে। অন্যটি হলো গাড়ি খাদে বা পানিতে পরে গেলে দরজা আটকে গেলেও বের হতে সুবিধা হবে। সেন্ট্রাল লক একই কারনে খুলে রাখতে হয়। কেননা কলিশনের পর লক জ্যাম হয়ে যেতে পারে।

৫। গাড়ীর এক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিন এবং গিয়ার নিউট্রাল করুন। কারণ এক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিলে গাড়ি ধীরে ধীরে গতি হারাতে থাকবে।

৬। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গিয়ার ডাউন করুন। এটি ইঞ্জিন ব্রেকিং তৈরি করবে যা গাড়ির গতি কমাতে সাহায্য করবে।

৭। ঘনঘন ব্রেক প্যাডেল পাম্প করতে থাকবেন। 

৮। রাস্তা যদি লম্বা এবং ফাকা হয় তবে গাড়ী সোজা স্টিয়ারিং রাখবেন। রাস্তা যদি ফাকা কিন্তু লম্বা না হয়ে চওড়া হয় সেক্ষেত্রে পেছনে গাড়ী দেখে আকাবাকা (S এর মত) চালাবেন। সামনের রাস্তা অল্প হলে আঁকাবাঁকা চালালে অল্প জায়গায় অধিক পথ অতিক্রম করা যায় এতে কিছুটা হলেও বেশি সময় পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে আশে পাশের গাড়ীকে খেয়াল করতে হবে। 

৯। পার্কিং ব্রেক (যেটাকে সহজাতভাবে আমরা হ্যান্ড ব্রেক বলি) আস্তে আস্তে টানবেন। সাবধানে হ্যান্ড ব্রেক ব্যবহার করুন। হঠাৎ টানলে গাড়ি স্লিপ করতে পারে। পার্কিং ব্রেক একবারে হ্যাচকা টানবেন না এতে গাড়ী উল্টে বা ঘুরে যেতে পারে। পার্কিং ব্রেক দেখবেন তুলার সময় কটকট আওয়াজ হয়। এভাবে ঘাট ধরে আস্তে আস্তে তুলবেন।

১০। আশে পাশে ফাঁকা জায়গা, বড় গাছ, দেয়াল, রক্ষিত আইল্যান্ড এর খেয়াল রাখবেন। গতি কমে আসলে এসবে হিট করে গাড়ী থামান। এতে গাড়ীর ক্ষতি হলেও নিজের এবং যাত্রীর প্রাণ বাঁচবে।

১১। পুরো ব্যাপারটা খুব দ্রুত এবং সুচারু রূপে করতে হবে। এজন্য প্যানিকড হওয়া যাবেনা। 

Read More

Alternator : Definition, Types, Working Principle, Parts, Uses, Advantages, Symptoms of Bad Alternator

Definition of Alternator?

An alternator is a device that converts mechanical energy
into electrical energy. It is commonly used in automobiles to recharge the
battery and power the electrical system while the engine is running.
Alternators work by using a rotating magnetic field to induce an electrical
current in a set of stationary coils. As the magnetic field rotates, it causes
the electrons in the coils to move, generating an alternating current (AC).

This AC current is then converted into a direct current (DC) using a rectifier,
which allows it to be used to charge the battery and power the vehicle’s
electrical system. Alternators are more efficient and reliable than the earlier
generators and are now widely used in many different applications where electrical
power is needed.

Alternator: Definition, Types, Working Principle, Parts, Uses, Advantages, Symptoms of Bad Alternator
Alternator

What is the Working Principle of Alternator?

The working principle of an alternator is based on the
electromagnetic induction phenomenon. An alternator consists of a stationary
set of conductive coils, called the stator, and a rotating set of permanent
magnets or electromagnets, called the rotor. When the rotor rotates within the
stator, it creates a changing magnetic field that induces an electrical current
in the stator coils.

The rotor is usually driven by a mechanical energy source
such as an engine, which causes it to rotate. As the rotor rotates, it creates
a magnetic field that alternates in direction with respect to the stator coils.
The stator coils are wound in such a way that they are evenly spaced around the
rotor, and they are also connected in a specific pattern that ensures that the
current induced in them is always in the same direction.

As the magnetic field of the rotor passes over each stator
coil, it induces an electrical current in the coil. The direction of the current
changes as the rotor rotates, producing an alternating current (AC) in the
stator coils. This AC current is then rectified by a set of diodes that convert
it to a direct current (DC), which can be used to charge the battery and power
the electrical system of the vehicle or machine.

In summary, the working principle of an alternator is based
on the interaction between a rotating magnetic field and a stationary set of
conductive coils, which induces an electrical current in the coils. The
resulting AC current is then rectified to produce a DC current that can be used
to power the electrical system.

Read More

রিকন্ডিশন্ড গাড়ি কেনার গাইডলাইন

রাস্তায় নামছে নিত্যনতুন গাড়ি। এগুলোর ৯০ শতাংশই রিকন্ডিশন্ড। রিকন্ডিশন্ড গাড়ি এখন মধ্যবিত্তের নাগালে। যদিও টাকা জমিয়ে কেনা সাধের গাড়িটি মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যখন গাড়ি কিনতে গিয়ে আপনি ঠকে যান। খুব কম মানুষই গাড়ি বিষয়ে অভিজ্ঞ। খুঁটিনাটি অনেক কিছুই আমরা জানি না। রিকন্ডিশন্ড গাড়ি কেনার আগে জেনে নিন যে যে বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

রিকন্ডিশন্ড গাড়ি কেনার গাইডলাইন

ব্র্যান্ডঃ

কোন ব্র্যান্ডের গাড়ি কিনবেন তা সবার আগে নির্দিষ্ট করে নিন। ব্র্যান্ড পছন্দের আগে যাচাই করুন এই ব্র্যান্ডের গাড়ির রিসেল ভ্যালু বা বিক্রয়োত্তর মূল্য কেমন, খুচরো পার্টস বাজারে সহজলভ্য আছে কি না। এ ক্ষেত্রে টয়োটা গাড়ির নাম চলে আসে সবার আগে। বাংলাদেশে টয়োটা গাড়ির পার্টস বেশ সহজলভ্য এবং এর রিসেল ভ্যালুও ভালো।

ইঞ্জিন মডেলঃ

ইঞ্জিন মডেল চিনতে ম্যানুফ্যাকচারিং বছর কত তা জেনে নিন। অর্থাৎ গাড়িটির প্রস্তুতকাল কবে। দেশে এর রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে কবে তাও জেনে নিন।

ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেমঃ

দুই ধরনের ইনজেকশন সিস্টেম রয়েছে- ইলেকট্রনিক ফুয়েল ইনজেকশন এবং কার্বুরেটেড। কার্টুরেটেড সিস্টেম বেশ পুরনো। ইলেকট্রনিক ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেম আধুনিক হওয়ায় এটি আছে কি না নিশ্চিত হোন।

Read More

ইঞ্জিনের সাধারণ রক্ষনাবেক্ষণ এবং ত্রুটিসমূহ ও তার প্রতিকার

আমরা জানি, ইঞ্জিন বিভিন্ন প্রকার যন্ত্রাংশ ও পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত। তাই এর কর্মক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য ইঞ্জিনের ঐ সমস্ত যন্ত্রাংশ ও পদ্ধতির রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। ইঞ্জিনের যান্ত্রিক শক্তির উৎস হচ্ছে জ্বালানি। ভেজাল খাদ্য ও পানি যেমন মানুষের শরীর ও পেট খারাপ করতে পারে। তেমনি ভেজাল জ্বালানিও ইঞ্জিনের ক্ষতি করতে পারে।

ইঞ্জিনের সাধারণ রক্ষনাবেক্ষণ এবং ত্রুটিসমূহ ও তার প্রতিকার

 ভেজাল জ্বালানি ডিজেল ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে ফুয়েল পাম্প ও ইনজেক্টর এবং পেট্রোল ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে কাবুরেটরের জেটগুলোকে নষ্ট করে দেয়। আবার ইঞ্জিনে যদি সঠিক জ্বালানি ব্যবহার করা না হয় অর্থাৎ যদি ডিজেলের ক্ষেত্রে কেরোসিন বা পেট্রোল ব্যবহার করা হয় তবে ইঞ্জিনের উপরোক্ত অংশগুলো ক্ষতিগস্থ হবে। তৈলাক্তকরণ ও শীতলীকরণে যদি সঠিক গুণ সম্পন্ন তৈলাক্তকারক (Libricant) ও পানি ইত্যাদি ব্যবহার করা না হয়, তবে ইঞ্জিনের চলমান অংশগুলোর ক্ষতিসহ বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ধরুন বন্ধু বান্ধবসহ গাড়ী নিয়ে আপনারা দূর পাল্লায় ভ্রমণে বের হয়েছেন।

কিন্তু মাঝ পথে গিয়ে হঠাৎ পাড়ীর স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেল বা স্টাট নিচ্ছে না। অথবা প্রতিদিনের চেয়ে গাড়ীটি আজ ভিন্ন অস্বাভাবিক শব্দ বা আচরণ করছে। চালকের উচিত এর কারণ খুঁজে বের করা এবং কোন নাট ঢিলা বা আলগা আছে কিনা তা দেখা। উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, ইঞ্জিনকে দীর্ঘদিন কর্মক্ষম করে রাখা, ইঞ্জিনের মূল্যবান যন্ত্রাংশকে ক্ষয় ও দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করা এবং প্রতিনিয়ত মেরামত খরচ কমানোর জন্য ইঞ্জিন চালনায়, জ্বালানি ও তৈলাক্তকারক ব্যবহারে ইঞ্জিনের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। এরূপ সতর্ক থাকা এবং ইঞ্জিনের প্রতি যত্নবান হওয়াকে আমরা রক্ষণাবেক্ষণ বলতে পারি। এসব ছোট খাট রক্ষণাবেক্ষণ ইঞ্জিনকে বড় দুর্ঘটনা ও যান মালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে।

 ইঞ্জিনের ত্রুটি নিরসনে নিম্নলিখিত নীতিগুলো অনুসরণ করতে হবে। যথাঃ-

১। ইঞ্জিনের কোন অংশ কাজ না করলে সরাসরি তা না খুলে ত্রুটির কারণ অনুসন্ধান করতে হবে।

২। সহজ থেকে জটিল অপারেশনে যেতে হবে।

৩। কম সময়ে সম্পন্ন করা যায় এ ধরনের চেক থেকে বেশি সময় দরকার হয় এমন চেকের দিকে আগাতে হবে।

৪। প্রথমত ইঞ্জিনের বাইরে থেকে ভেতরের দিকে ত্রুটির কারণ অনুসন্ধান করা।

৫। ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে নিজের এবং ইঞ্জিনের নিরাপত্তার প্রতি অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

Read More